মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজ!

রাঙামাটির পাহাড়ঘেরা এক চিলতে উপত্যকার মাঝের একটি গ্রাম। সেই গ্রামের ছেলে মিন্টু চৌধুরী। ছয় ভাই। নিতান্ত দরিদ্র তাদের পরিবার। পাহাড় ঘেরা গোল আকাশের পেটে বিমান উড়ে যেত, ছোট্ট মিন্টু বিহ্বল হয়ে চেয়ে দেখতেন। তার ভাইগুলিও দেখতেন। তাদের মাঝে স্বপ্ন বুনা শুরু হ’ল সেই থেকে। প্রকৃতির অসাধারণ এক সত্যি কাহিনীর রচনায়ন!

বুয়েট অটোমোবাইল শপের টেকনিশিয়ান মিন্টু চৌধুরী। হালকা গড়ন, পেটা শরীর। সারাক্ষণ কাজের মধ্যে থাকা একজন মানুষ। সেই কবে শখ করেছিলেন উড়োজাহাজ বানাবেন, এতদিনে বানিয়েই ছাড়লেন। সেই উড়োজাহাজ এখন আকাশে উড়তে পারে!

স্বপ্নের শুরু আজ থেকে বহু বছর আগেই। তাও কম করে বছর বিশেক। সুযোগ আসার সাথে সাথে প্রথম দিকে সিদ্ধান্ত নিলেন পাওয়ার গ্লাইডার বানাবেন। ইঞ্জিনচালিত পাওয়ার গ্লাইডার। কিন্তু সামান্য টেকনিশিয়ানের পদে চাকরি করে অত টাকা কোথায় পাবেন আর! এগিয়ে এসেছিলেন একজন। দেড়-দুই লাখ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন যুক্তরাজ্য-প্রবাসী বাঙালি ওয়াকী আবদুল্লাহ। মিন্টু ভাই ভাবলেন, বাকী আর লাখ-দুয়েক তিনি যোগাড় করতে পারলেই এবার হয়ে যাবে তার দীর্ঘদিনের স্বপ্নের উড়োজাহাজ। শুরু করলেন কাজ। কাজ চালানোর মতো ইঞ্জিন প্রথমে কোথাও পাননি। ইঞ্জিন ছাড়াই চেষ্টা করলেন গ্লাইডার নিয়ে আকাশে ভাসতে। ইঞ্জিন ছাড়া উড়তে হলে যেটা করতে হবে- হই এটাকে কোনভাবে টেনে উড়াতে হবে কিংবা উঁচু কোন জায়গা থেকে গ্লাইডার নিয়ে লাফ দিতে হবে। কিন্তু কোটি মানুষের ঢাকায় সে জায়গাটুকু কোথায়!

গ্লাইডার নিয়ে মিন্টু ভাই চলে গেলেন তার গ্রামের বাড়িতে। লোকচক্ষুর আড়ালে তার গ্রাম। সেখানে স্পীড-বোট দিয়ে হ্রদের পানির উপর টেনে প্রথম আকাশে ডানা মেলে মিন্টু ভাইয়ের স্বপ্ন! বেশ উপরে উঠে খুলে দেন নীচের স্পীড-বোটের সাথে আটকানো বাঁধন। খুব সুন্দর পাখির মতোই মসৃণ ভাবে ভেসে চললেন অনেকদূর। আগ্রহ বহুগুণে বেড়ে গেল মিন্টু ভাইয়ের!

2

খোঁজা শুরু করলেন ইঞ্জিন। বহু জায়গায় যান কিন্তু কেউ ইঞ্জিন দিতে রাজী হয়না। সবার কেবল তাদের নিজেদের নামে এটিকে হাত করার অল্প-বেশি পায়তারা। শেষ পর্যন্ত ওয়ালটনের এক প্রকৌশলীর সাহায্যেই পান একটা ইঞ্জিন। বেশকিছু মডিফিকেশন করে সেটি লাগালেন আগের কাঠামোর সাথে।

নানান জায়গাতে ধরনা দেয়া শুরু করলেন একটা পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের অনুমতি পাওয়ার জন্য। সরকারী ফ্লাইং ক্লাবে চেষ্টা করেছেন অসংখ্যবার। সিভিল এভিয়েশন থেকে পর্যবেক্ষক এনে নিরীক্ষা করালেন তার উড়োজাহাজটি। তারা সবদিক ঠিক বলে মেনে নিলেও এটা যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যান্ডার্ড হয়নি বলে অনুমতি দিতে অসম্মতি প্রকাশ করেন।

মিন্টু ভাই জানান আপত্তি, তার যুক্তি, “বাংলাদেশে থেকে আমরা বাংলাদেশের জন্য একটা স্ট্যান্ডার্ড বিবেচনা করবো। যেহেতু এই কাজ এর আগে হয়নি সেহেতু এটাকে মানদণ্ড হিসেব করেই আদর্শ পরিমাপ ঠিক করা হোক। তারা যেটা ব্যাবহার করে আমিও সেটাই ব্যাবহার করেছি। হয়তো পার্টস বেশকিছু বাইরে থেকে আনা, তবুও কেন স্ট্যান্ডার্ড বলা হবেনা? শেষ পর্যন্ত তারা এই মত দেন, এটা উড়াবার জন্য সরকারের নিবন্ধন লাগবে।” মিন্টু ভাই এবার ছোটাছুটি শুরু করলেন উড়োজাহাজের নিবন্ধনের জন্য। ‘মা এভিয়েশন’ নাম নিয়ে লাইসেন্সের জন্য মিন্টু ভাইয়ের সেই ছুটোছুটি আজও চলছে। তাদের এখন যুক্তি হচ্ছে, এটা আকাশে উড়লে তো বিদেশী কোন সংস্থা আমাদেরকে আর সাহায্য দেবেনা, আমরা তো স্বনির্ভর হয়ে গেলাম তাদের কাছে সেক্ষেত্রে। সুতরাং…

এরমধ্যে মিডিয়াতে বেশ কয়েকবার রিপোর্ট করা হয় এই উড়োজাহাজ নিয়ে। সেখানে গুরুত্ব পায় কেবল যুক্তরাজ্য-প্রবাসী ওয়াকী আবদুল্লাহ’র নাম। মিন্টু ভাইয়ের স্বপ্ন কিংবা তার এই মেধাসত্ত্বকে চরমভাবে অগ্রাহ্য করা হলে তার আগ্রহে বেশ অনেকটাই ভাটা পড়ে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও বেশ কয়েকবার মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজটি তাদেরকে দিয়ে দেবার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তার এত কষ্টের ফল, মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে যেটা উড়ালেন সেটা তিনি দিয়ে দিতে চাননি।

অনেক জায়গাতে ধরনা দিয়েও যখন মিন্টু ভাই উড়োজাহাজটি আকাশে উড়াবার অনুমতি পাননি তখন গোপনেই সেটি করতে চলে যান তার প্রিয় রাঙামাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে। সাধের উড়োজাহাজকে নিয়ে। মাত্র ৩৩ মিটারের মধ্যেই ইঞ্জিন সহ নিজে নিজেই আকাশে ডানা মেলে মিন্টুর স্বপ্ন। চালকের আসনে বসে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে আকাশে উড়ে বেড়ান তিনি। উত্তেজনার বশে ভুলেই গিয়েছিলেন সতর্কতামুলক হেলমেট পরিধান করতে! মিন্টু ভাই স্মরণ করলেন প্রথমবার আকাশে উড়বার কথা। উড়াবার মাস দুয়েক আগেই ছুটি নিয়ে নিয়েছিলেন। ধরেই নিয়েছিলেন উড়োজাহাজটি উড়াতে যেয়ে মারা পড়বেন। ২০০৮ সালে সেকারণে একমাস ধরে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী মিন্টু ভাই ঘুরে এসেছিলেন দেশের নানা তীর্থস্থানগুলি। ‘০৮ এর শেষের দিকে এরপর আকাশে ওড়েন তার স্বপ্ন নিয়ে! মৃত্যু অবধারিত মেনে নিয়েই।

উড়োজাহাজটি ৫ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উঠতে পারে। সাধারণত ২৫ হাজার ফুটের উপরে ‘এয়ার পকেট’ নামে একধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়, একারণে এটির ক্ষেত্রে সেই অতিরিক্ত ঝামেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এটিতে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়া সম্ভব মাত্র ৩০ মিনিটেই, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে কেবল আধা লিটার জ্বালানী ব্যাবহার করেই। জ্বালানী বাবদ খরচ হবে মাত্র ৫০ টাকা! “পৃথিবীর ইতিহাসে এত কম শক্তির ইঞ্জিনে কোন আকাশযান উড়াবার আর কোন রেকর্ড বর্তমানে নেই”- দাবী করেন মিন্টু ভাই। মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজের সবচেয়ে বড় গুন এটি খুব সহজেই যে কেউ চালাতে পারবে। কেবল দুই হাতের মাধ্যমেই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজের সিট থেকে সাইলেন্সর সবকিছুই তার নিজের ডিজাইন করা। সাইলেন্সর থেকে শুরু করে সিট কিংবা স্টিয়ারিং বা কন্ট্রোল বার ডিজাইন এই ধরণের পাওয়ার গ্লাইডারের ক্ষেত্রে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। মিন্টু ভাই দিনের পর দিন এগুলোর উন্নয়ন করেছেন। ব্যর্থ হয়েছেন, বারবার। তবুও হাল ছেড়ে দেননি। নানান দেশের অনেক লেখকের বহু বই পড়ে তিনি এগুলোর ডিজাইন করেন। প্রধানত এই পাখাটা কোনকারনে যদি ইঞ্জিন বন্ধ হয়েও যাই তবুও যেন আকাশে ভেসে থাকে এটা মাথায় রেখে ডেলটা টাইপের পাখাকেই নির্বাচন করেন। কাঠামো আর পতাকার রঙ করেন বাংলাদেশের পতাকার লাল-সবুজের রঙে। এটি চওড়ায় ৩২ ফুট এবং ১৪ ফুট লম্বা। দেখতে নীচের ছবিটির মতো। পাখাটি প্যারাসুট কাপড়ের। এই ডেল্টা পাখার গতানুগতিক নকশাও তিনি পরিবর্তন করেছেন। এই কারণে ইঞ্জিন বন্ধ হলেও বিমানটি বাজপাখির মতো অনেকক্ষণ ভেসে থাকবে। বর্তমানে যে কাঠামো ব্যাবহার করা হচ্ছে সেটির ওজন হচ্ছে ২০ কেজি। সবমিলিয়ে গড়পড়তা ওজনের মানুষসহ মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজের ওজন ১২০ কেজি।

3

“এ যাবত সারা পৃথিবীতে ৩৩ টা দেশ বানিয়েছে এই ধরণের উড়োজাহাজ। আমাদের সম্ভাবনা ছিল ৩৪ নম্বর হিসেবে এই গৌরবের দাবীদার হওয়া”-দীর্ঘশ্বাস ফেলে মিন্টু ভাইয়ের হতাশা।

মিন্টু ভাইয়ের ইচ্ছা, ১১ সিটের একটা হালকা বিমানে এটাকে রূপ দেয়া। আপাতত যেই মডেলটা তৈরি আছে সেটি চলে ১৫০ সিসি ইঞ্জিনে। সবচেয়ে মজার ব্যাপারটি হচ্ছে, ইঞ্জিনের পুরো শক্তির মাত্র শতকরা ২৫ ভাগই যথেষ্ট আকাশে উড়বার জন্য। এবারে উড়োজাহাজের শক্তি আরও একটু বাড়াবেন ৯ হর্স পাওয়ারের ২৯০০ আর.পি.এম. এর ইঞ্জিন ব্যাবহার করে-এমনটাই ইচ্ছা মিন্টু ভাইয়ের। প্রথম যেই ইঞ্জিনচালিত উড়োজাহাজটি মিন্টু ভাই আকাশে ওড়ান সেটি বানাতে খরচ হয়েছিল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হলে সেক্ষেত্রে দাম কমে ২ থেকে আড়াই লক্ষের মধ্যেই তৈরি করা যাবে।

উড়োজাহাজের প্রপেলার তৈরিও করেছেন মিন্টু ভাই নিজে, বেশকিছু বই-গবেষণা পত্রের সাহায্য নিয়ে। সময় লেগেছিল পুরো এক মাস। সাধারণত এসব কাজে ম্যাপল কাঠ ব্যাবহার করা হয়। মিন্টু ভাই ব্যাবহার করেছেন সেগুন কাঠ। তিনটা খণ্ডকে আলাদা আলাদা করে সহজে নকশা করে একসাথে মিলিয়ে। প্রপেলারটা বানাতেও অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে তাকে। অসংখ্যবার চেষ্টা করে এটির চূড়ান্ত করতে সক্ষম হন তিনি। তার কাছে এটি এখন অমূল্য সম্পদ! ২০০৮ সালে ভারতে ভূপেন্দর সিং নামে একজন কাঠমিস্ত্রি একটি প্রপেলার তৈরি করেন। গণমাধ্যমে এটির খবর আসে। মিন্টু ভাইয়ের জেদ চেপে যাই। সে কাঠমিস্ত্রি হলে তিনি কেন পারবেননা। জেদ থেকেই করেন বাঁধা অতিক্রম। অনেক সফল মানুষের জীবনের সংগ্রাম কাহিনী খুঁজে বের করে পড়েছেন তিনি, হয়েছেন অনুপ্রাণিত।

4

একদা বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এম. এ. তাহের আলী এই ধরণের উড়োযানের ব্যাপারে বেশ নিয়মিত কাজ করতেন। গবেষণা চলত। বর্তমান সময়ে সেই ঐতিহ্য অনেকটাই মিইয়ে গেছে। মিন্টু ভাই চান সেই আগের-দিন ফিরে আসুক, চর্চা হোক এধরণের মৌলিক জ্ঞানের। বুয়েটে কাজ করার সুবাদে নানান ডিপার্টমেন্টের হয়ে নানান প্রোজেক্টে কাজ করেছেন মিন্টু ভাই, এখনও করছেন। তার উপরে নির্ভরশীলতার ব্যাপারে অনেকেই এখন ভরসা করে থাকেন। মিন্টু ভাই করেছেন নানান চাকরি। প্রথম অস্ট্রেলিয়ানদের সাথে, পরে ফ্রান্স এবং সর্বশেষ চাইনিজদের সাথে রাউজান তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। এরপর বুয়েটে প্রবেশ করেন। সেই থেকে এখানেই আছেন ভালোলাগা থেকেই।

লোভকে এড়িয়ে এখনও কালিঝুলি মাখা ল্যাবে সবাইকে দিক-নির্দেশনা দিয়ে যান এই মানুষটি। নানা ধরণের শর্তে নানারকমের প্রস্তাব পেয়েছেন সরকারি বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান থেকে, উড়োজাহাজটি তাদের দিয়ে দেবার জন্য। উনি দেননি, তার একটাই কথা, “আমার পরিশ্রম, আমার স্বপ্ন আমি কাউকে দিবনা”।

এক সন্তানের জনক মিন্টু ভাই। মেয়েটি পড়ে উচ্চ-মাধ্যমিকে। নাম মিথিলা। তিনজনের সুখের সংসার। যদিও এই উড়োজাহাজের টানে পরিবারের প্রতিও তিনি অনেক অবজ্ঞা করেছেন। মাসের শেষে বেতনের টাকা অকাতরে ঢেলেছেন উড়োজাহাজের পিছনে, নেশার বশেই। মিন্টু ভাইয়ের শেখার নেশা মারাত্মক। ছোট-বড় সকলের থেকে প্রতিনিয়ত শিখতে চান তিনি। কোন ব্যাপারেই তার আগ্রহের শেষ নেই। তবে বিশেষ আগ্রহ এই উড়োজাহাজকে ঘিরেই।

মিন্টু ভাই অপেক্ষা করছেন, রিটায়ার্মেন্টে যাবার। বর্তমান উড়োজাহাজটির সব যন্ত্রাংশ খুলে যত্নে সাজিয়ে রেখেছেন। আর ৫ বছর চাকরি আছে তার। জীবনের শেষ ইচ্ছা পেনশনের টাকা আর কিছু মিলিয়ে উড়োজাহাজটি একবার সবাইকে জন-প্রকাশ্যে উড়িয়ে ঘুরবেন। হয়তো নিয়ম ভঙ্গের জন্য তাকে জেলের ঘানি টানতে হবে, তবুও তার কোন দ্বিধা নেই। শেষ বয়সে এসে তিনি তার জীবনকে পর্যন্ত উড়োজাহাজের জন্য উৎসর্গ করতেও রাজী।

মিন্টু ভাইয়ের জীবনে এখন একটাই স্বপ্ন, বাংলাদেশে অথবা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে তাকে একটি জায়গা দেয়া হোক। সেখানে তিনি গবেষণা করবেন। তিনি ব্যবসা করতে আগ্রহী না, নিতান্ত বাধ্য না হলে। সরকার এটা নিয়ে ব্যবসা করুক, কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান, তাতে মিন্টু ভাইয়ের কোন মাথা ব্যথা নেই। তিনি স্বপ্ন দেখেন কেবল একটি গবেষণাগারের। সেখানে আগ্রহী আর দরিদ্র শিক্ষার্থীরা উড়োজাহাজ নিয়ে গবেষণা করবে, তারা বিশ্বমানের উড়োজাহাজ বানাবে, এই আমাদের দেশেই।

আমাদের দেশে এই অসাধারণ মিন্টুদের স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখা আজ বড্ড বেশি প্রয়োজন!

ফটো: আনিস ইসলাম, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, বুয়েট।
বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, বুয়েট।

Share Button

19 Comments

  1. minto vai er ghotona ta porota porlam, amader somaje kono valo uddog er khatre sobai nanan kotha bolbe atai i savavik, tobe ami minto vai ke bolbo didha hin vabe jeno tini samne agei ye jai kono kichu jeno take badha grosto na korte pare . unar sopno obosso i sofolkam hobe bole ami biswas kori . aj na hok kono na kono vabe tini ekdin prothistito hoben bole ami biswas kori .

  2. The problem I believe, Bangladesh is having no design standard of its own for Aeronautical products. CAA Bangladesh accepts the Type certification of US FAA or of EASA . This actually prevents inventing the new products or even try for any modification to existing ones.
    When we will have our own national standards no body knows.

  3. i wants to meet him…if he give us permission we would like to get some help…can you give his contact address or number ,plz?

  4. এভাবেই এগুবে বাংলাদেশ, এদের হাত দিয়েই উজ্জ্বল হবে আমাদের দেশ।

  5. Hi admin,
    I donot believe ”এটিতে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়া সম্ভব মাত্র ৩০ মিনিটেই, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে কেবল আধা লিটার জ্বালানী ব্যাবহার করেই।” the lines are correct. Even if the fuel efficiency is 100% you should require around 10L aviation fuel.
    Can anyone prove my calculation wrong? (email:[email protected])
    If the information is incorrect we may seriously question the credibility of the researcher.

    Sincerely
    Asif (07 batch)

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*