চুয়েটের খুশবুঃ চাঁদের রোবটের গল্প

বাংলাদেশে রোবটিক্স চর্চার চল বেশ ক’বছর আগে থেকে শুরু হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের প্রায়ই দেখা যায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করে নজরকাড়া সাফল্য নিয়ে আসতে। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় এ ধরনের প্রতিযোগিতায় ভাল করছে তাদের অধিকাংশই ছাত্র এবং সিংহভাগ ঢাকা-কেন্দ্রিক। আরেকটু বিশ্লেষণ করলে কারণ খুঁজে পেতেও খুব বেশি কষ্ট করতে হয়না। রোবোটিক্স চর্চার প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সাধারণত ঢাকাতেই সহজলভ্য যা সংগ্রহ করতে ঢাকার বাইরে থেকে বেশ বেগ পেতে হয়। কিন্তু ঢাকার বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই গত বছর নাসা লুনাবোটিক্সে অংশগ্রহন করেছিল চট্রগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর একটি দল। বাংলাদেশে সীমিত সুযোগের মধ্যে থেকেও কিভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রোবট প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করা সম্ভবপর হয়েছিল তা জানতে আমরা কথা বলেছিলাম দলনেত্রী রিনি ঈশান খুশবু’র সাথে।977368_4986069450615_118955641_o

–   রোবোটিক্সে আগ্রহ কিভাবে তৈরি হল?

একদম ছোটবেলা থেকে সায়েন্স ফিকশান এর প্রচুর বই পড়তাম। আম্মুও সেরকম বই কিনে দিতেন। বইগুলো থেকেই রোবট সম্পর্কে ধারণা পাই। মনে করতাম বড় হয়ে রোবট বানাবো, চাঁদে যাব, মহাকাশে  ঘুরে বেড়াব। এসব চিন্তাভাবনা আমার খুব প্রিয় ছিল। আমার মা এসব কল্পনাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনতেন, উৎসাহ দিতেন। এছাড়াও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর সিনেমা দেখেও আগ্রহ জন্মাতো ওরকম কিছু করার। একসময় চুয়েট এর যন্ত্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হলাম কিন্তু গতানুগতিক পড়াশোনার বাইরের কিছু করার ইচ্ছা প্রবল ছিল। এসময় টিউশনির টাকা গুছিয়ে ঘরে একটা ল্যাব বানিয়েছিলাম। আম্মু বাসার একটা ঘর খালি করে দিলেন। এই ল্যাব থেকেই রোবট বানিয়ে অংশগ্রহণ করেছিলাম বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের রোবট প্রতিযোগিতা ‘রোবোরেস’ এ, আমি একাই। সে প্রতিযোগিতায় গিয়েছিলাম সেমিফাইনাল পর্যন্ত। এ ঘটনা আমাকে প্রচন্ড উৎসাহিত করেছিল।

–   নাসা লুনাবোটিক্স এর জন্যে কিভাবে দল গঠন করেছিলে?

শায়খ নামে আমার একজন বন্ধু ছিল। সে একদিন ফোন করে বলেছিল “চল যাই কম্পিটিশনটাতে” শায়খের বন্ধু এবং একাডেমিক প্রোজেক্ট পার্টনার ছিল রিফাত। ওরা দুজনে মিলে বানিয়েছিল ‘মেজ সল্ভার রোবট’। আর এদিকে যেহেতু আমিও রোবট নিয়ে কাজ করতাম তাই সবাই মিলে এক হয়েছিলাম আমরা। এছাড়া রোবট এর হার্ডওয়ারের কাজে সাহায্য করার জন্যে নাহিনকে নিয়েছিলাম। ও ছিল আমাদের সবার ছোট।

আমি মাইক্রোকন্ট্রোলার এর কোর্স করাতাম তখন। সেখানে থেকেই নাহিনের সাথে পরিচয়। নাহিনকে বেশ চটপটে মনে হয়েছিল। আমাদের দলের সবাই নিজেদের কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম আর অন্য সবাই একে অপরকে বেশ ভাল সহযোগিতা করছিল। এভাবেই আমাদের দল গড়ে উঠেছিল।

-চুয়েট এর শিক্ষক কিভাবে তোমাদের কাজে সাহায্য করেছেন?

এডভাইজার স্যার সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছেন মানসিকভাবে। এক বছর বেশ লম্বা সময়। এতদিন ধরে রোবট তৈরি করতে বেশ বড় রকমের আর্থিক সাহায্য এবং যথেষ্ট ধৈর্যের প্রয়োজন ছিল। যখনই আমি কোন কারণে খুব বিরক্ত হয়ে রেগে যেতাম, স্যার সাথে সাথে মনে করিয়ে দিতেন, ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’ এছাড়াও প্রোজেক্ট পেপার লিখতে উনি যথেষ্ট সাহায্য করেছেন। একাডেমিক অনুমতিগুলোর যোগাড় করতে আমাদের কোন চিন্তাই করতে হয়নি স্যার এর সাহায্যের কারণে। উনি শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে ছিলেন এবং আমেরিকায়ও গিয়েছিলেন আমাদের সাহস যোগাতে।

–   প্রতিযোগিতার জন্যে রোবট ডিজাইন কিভাবে শুরু করেছিলে?

প্রথমদিকে ধারণা পাবার জন্যে বিগত বছরগুলোতে অংশগ্রহণ করা দলগুলোর রোবট এর ডিজাইনগুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতাম। তাদের প্রবন্ধগুলো ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে নিয়েছিলাম। প্রথম থেকেই সেগুলো পড়েছি, লুনাবট কতভাবে ডিজাইন করা হয়েছে সেগুলোর একটা ছক করেছিলাম। লুনাবটিক্সের নিয়মগুলো খুব ভালভাবে পড়েছি। ওজন, ধুলো সীমাবদ্ধতা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের জন্যে কিভাবে পয়েন্ট বন্টন করা হয়েছে সেগুলো লিপিবদ্ধ করেছি। এরপর চুয়েটের আশেপাশে সহজলভ্য যন্ত্রাংশের নমুনা এবং মূল্য সংগ্রহ করেছি। এরপর সলিডওয়ার্কস এ ডিজাইন এবং সিমুলেশন করে বোঝার চেষ্টা করেছি কোন ডিজাইন সবচেয়ে ভাল কাজ করবে। আমাদের লক্ষ্য ছিল রোবটকে যতটা সম্ভব হালকা করতে। কিন্তু ওজন কম হলে রোবটের ভারসাম্য রক্ষা করাটাও বিশাল সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

নিয়মকানুন পড়ার পর যখন বুঝতে পারি প্রতি কেজি ওজনের জন্যে আট পয়েন্ট করে কাটা হয় তখন আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল হালকা কিন্তু মজবুত রোবট বানানোর দিকে। যদিও প্রথমে ‘bucket ladder’ পদ্ধতিতে মাটি তুলতে চেয়েছিলাম পরে সবাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ‘Loader mechanism’ ব্যবহার করতে একমত হই। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা বুঝতে পারি এ পদ্ধতির ডিজাইন কি পরিমান জটিল হতে পারে। রোবটের বেস তৈরি করা হয়েছিল এলুমিনাম বার দিয়ে ওয়েল্ড করে। যেটা বেশ ব্যয়বহুল ছিল। এছাড়া চাকা কাস্টিং করে লেদ মেশিন দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। চাকার সাথে L আকৃতির স্পাইক বসানো হয়েছিল দৃঢ়তা বাড়ানোর জন্যে। বাকেট ধরার জন্যে স্টীলের লিঙ্ক ব্যবহার করা হয়। কেননা লিঙ্ক দুর্বল হলে তা মাটি খুঁড়তে পারবে না। এছাড়া ব্যাটারি রোবটের সাথে লাগাতে নাইলনের দড়ি ব্যবহার করা হয়। পুরো রোবটের হার্ডওয়ার তৈরি হবার পর তা বেশ ভালভাবে পলিশ করা হয় যেন কোন ধরনের অমসৃন জায়গা ধূলো উড়াতে সহায়ক না হয়।

যেহেতু রোবট মাটি টানবে এবং যথেষ্ট ওজন বহন করবে, মোটর নির্বাচনের সময় টর্ক রেটিং কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। চারটি চাকাতেই RS775 ডিসি মোটর লাগানো হয়েছে। এরপর গতি কমিয়ে টর্ক বাড়ানোর জন্যে মোটরের সাথে ‘Epicyclic Gearbos P60’ লাগানো হয়েছে। Actuator এর জন্যে Pololu থেকে দুইটি মোটর কেনা হয়েছিল। প্রথমবার গিয়েই কম্পিটিশনে ভাল করার আশা আমাদের ছিল না। আমরা স্থির করেছিলাম বেশ ভাল মানে কিছু যন্ত্রপাতি দিয়ে শুরু করতে যেন ভুল করে শিখতে পারি। পরবর্তিতে আমাদের উত্তসূরিরা হয়ত আমাদের থেকে আরও উন্নতি করে প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করে আসবে।

আমাদের রোবট তৈরি করেছি প্রায় দেড় মাসে। এত অল্প সময়ে আমরা রোবটকে স্ব-নিয়ন্ত্রিত করার সুযোগ পাইনি। আমাদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ যেগুলো ছিলঃ

Linear Actuator সংগ্রহ করা হয়েছে Pololu থেকে

RS775 motors and P60 Gearbox সংগ্রহ করা হয়েছে Banebots থেকে

Sabertooth (60A) Regenerative motor Controller সংগ্রহ করা হয়েছে Robotshop থেকে

Li-Fe-Phosphate battery সংগ্রহ করা হয়েছে Batteryspace থেকে

Kills Switch – Dhaka সংগ্রহ করা হয়েছে MIST Lunabotics Team এর মাধ্যমে। তাদেরকে ধন্যবাদ।

Wireless module – Sparkfun, Relevant accessories সংগ্রহ করা হয়েছে Adafruit থেকে

এছাড়া রোবট নিয়ন্ত্রনের জন্যে PIC18F  series  microcontroller,  C  programming  MIKROC  compiler ব্যবহার করা হয়েছে। কন্ট্রোলার  দিয়ে রোবট নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে জাভা দিয়ে ইন্টারফেস তৈরি করা হয়েছিল।

– চুয়েটের শিক্ষার্থীদের এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্যে কিভাবে প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন বলে মনে কর?

প্রথমেই তাদের যে প্রস্তুতি নেয়া দরকার সেটা হল মানসিক প্রস্তুতি। চুয়েট শহরের বাইরে প্রায় ছাব্বিশ কি.মি. দূরে অবস্থিত। সামান্য একটা নাট বল্টু কিনতেও শহরে আসতে হয়। এছাড়া চট্রগ্রাম শহরে রোবট নির্মানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশও তেমন সহজলভ্য নয়। এরকম অবস্থায় ধৈর্য ধরে রাখা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কষ্ট স্বীকার করা মনমানসিকতা না থাকলে লক্ষ্যে পৌঁছানে বেশ কঠিন হয়ে যাবে। শহরের কাছাকাছি জায়গায় যেসব বিশ্ববিদ্যালয় আছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয় হয়ত কিছুটা সহজেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক বা অন্যান্য সহযোগিতা পায়, যেটা চুয়েটের মত বিশ্ববিদ্যালয় এর জন্যে বেশ কঠিন। এছাড়া দলের সদস্য নির্বাচনেও কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। শুধুমাত্র বন্ধু বলেই কাউকে দলে না নিয়ে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। এছাড়াও কার স্বপ্ন দেখার ও সেটি পূরণ করার স্পৃহা রয়েছে এবং তার জন্য কঠোর পরিশ্রমের মনমানসিকতা রয়েছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি ইচ্ছাশক্তিটুকুই যথেষ্ট, বাকিটা পরিশ্রম করতে থাকলে একদিন না একদিন ঠিকই হয়ে উঠবে।

1469746_10201158563067275_2104410893_n

–   লুনাবোটিক্সে অংশ নেবার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা কি ছিল?

প্রথমেই যে বাধাটির কথা আমি বলব সেটা হল অর্থসংকট। আমি নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করি অসাধারণ বাবা মা পাবার জন্য। তাঁরা আমাকে আর্থিক সাহায্য তেমনটা না করতে পারলেও মানসিকভাবে খুব ভালভাবেই সাহায্য করেছিলেন। আমার বড় বোন এবং তার পরিবার আমেরিকা থেকে আমাদের পছন্দ অনুযায়ী মোটর এবং গিয়ারবক্স কিনে পাঠিয়েছিলেন। সেটা আমাদের জন্য বিশাল সাহায্য ছিল। তারপরেও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশাল পরিমান অর্থসাহায্য দরকার ছিল। চট্রগ্রামে ইস্পাহানি গ্রুপ থেকে কিছু সাহায্য পেয়েছিলাম আমরা। এছাড়া ফেসবুকে চুয়েট এর এলামনাইদের খুঁজে বেড়াতাম। দুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এলামনাইদের মধ্যে জার্মানী, মালয়েশিয়া আর আমেরিকা থেকে অনেকে সাহায্য পাঠিয়েছিলেন। এজন্য তাদের কাছে আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞ। কিন্তু সমস্যা হয়ে যায় ওনাদের সাহায্য হাতে পেতে যখন মাস পার হয়ে যাচ্ছিল। নিজেদের অর্থায়নে রোবটের চাকা বানিয়ে আমরা বসে ছিলাম বেশ বড় একটা সময়। এলামনাইদের পাঠানো সাহায্যে রোবটের বডি বানানো হয়েছে এবং মোটরকন্ট্রলার কেনা হয়েছে। এছাড়াও Chittagong IEB তে একটি সিন্ডিকেট এর মিটিং এ ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগে একজনের সাথে পরিচয় হয়। উনি আমাদের বেশ কিছু সাহায্য করেন। আমাদের রোবটের actuator আমেরিকা থেকে কিনে পাঠান আমাদের দলের একজনের আত্মীয়। এছাড়াও আমরা কিছু টি-শার্ট তৈরি করে চুয়েটের কনভোকেশনে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করি যেটা খুব একটা কাজ করেনি। চুয়েটের শিক্ষকদের কাছে থেকেও আমরা কিছু কিছু সাহায্য পেয়েছি। প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করতে মার্চ মাস চলে এসেছিল। নাসায় ভিডিও দেবার শেষ সময় ছিল এপ্রিলে। এ অবস্থায় দৈনিক রাত ৩:৩০~৪ টা পর্যন্ত আমাদের কাজ করতে হয়েছে। ভিডিও ধারণ করার জন্যে আমরা আমাদের প্রথম পরীক্ষামূলক চালনায় সফল হয়েছিলাম। আমাদের প্রস্তুতি আরও ভাল হতে পারত কিন্তু পরদিন বৃষ্টিতে আমাদের রোবটের জন্য তৈরি মাঠ নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তিতে স্থান সঙ্কটে চুয়েটের কোন ভবনের ভেতরে আমরা পরীক্ষামূলক চালনার সুবিধা পাইনি। এ অবস্থায় একটি চেয়ারে রোবট উল্টিয়ে স্পীড টেস্ট কন্ট্রোল করা হয়। শত বাধা বিপত্তির চুড়ান্ত হয় যখন আমাদের চার জনের দলের একজনকে সময়মত ভিসা দেয়া হয়নি।

–   একজন মেয়ে হিসেবে আলাদা কোন ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়েছিল?1981_4606514161970_1048837378_n

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে একজন মেয়ে হিসেবে যে কোন কিছু করাই বেশ কষ্টের। আমরা এখনও নারীকে তার প্রাপ্য সম্মান দেয়া শিখে উঠতে পারিনি। মেয়ে দলপতি হওয়ায় বেশ কিছু মন্তব্য আমাকে শুনতে হয়েছে। কিন্তু আমি আমার দলের প্রতি সদস্যের কাছেই কৃতজ্ঞ। তাদের পরিপূর্ণ সমর্থন না থাকলে দলপতি হিসেবে আমার কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে যেত। আশে পাশের সবার সহযোগিতার জন্যেই আমরা শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছিলাম। সেজন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

চুয়েট লুনাবটিক্স দলঃ

রিনি ঈশান খুশবু

শায়খ আহমেদ,

রিফাত মাহমুদ রুশো

নাহিন বাহার চৌধুরি

উপদেষ্টাঃ

ডঃ সজল চন্দ্র বনিক

আমরা আশা করি বাংলাদেশের এসব সম্ভাবনাময়ী তরুণ শিক্ষার্থীরা এভাবেই নতুন নতুন প্রযুক্তির চর্চা করবে এবং বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলবে। খুশবুর মতোই সমাজে আরও অনেক উদ্যমীর প্রযুক্তিময় সাহসী তুলির ছোঁয়ায় ঢেকে যাবে সব গ্লানি, মাথা উঁচু করবে আমাদের দেশ, আমাদের লাল-সবুজ পতাকা।

Share Button

1 Comment

1 Trackback / Pingback

  1. বাংলাদেশের ‘রোবট দম্পতি’ রাকিব-খুশবু

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*